প্রশ্ন ও উত্তর
পাঠ্য বই সম্পর্কিত
১। তোমার বাংলা বই এর নাম কী?
উত্তর : আমার বাংলা বই এর নাম ‘ আমার বাংলা বই’ দ্বিতীয় ভাগ।
২। তোমার বাংলা বই এর রচয়িতা কে কে?
উত্তর : আমার বাংলা বই এর রচয়িতারা হলেন, শফিউল আলম, ড. মাহবুবুল হক, ড. সৈয়দ আজিজুল হক ও নূরজাহান বেগম।
৩। তোমার বাংলা বই শিল্প সম্পাদনা করেছেন কে?
উত্তর : হাশেম খান।
জাতীয় সঙ্গীত
১। আমাদের জাতীয় সঙ্গীত কে লিখেছেন?
উত্তর : বিশ্ব কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।
২। আমাদের জাতীয় সঙ্গীত কত লাইন?
উত্তর : আমাদের জাতীয় সঙ্গীত ১০ লাইন।
৩। আমাদের জাতীয় সঙ্গীতের প্রথম লাইন ও শেষ লাইন লিখ।
প্রথম লাইন : আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালোবাসি।
শেষ লাইন : মা, তোর বদনখানি মলিন হলে, ও মা, আমি নয়ন জলে ভাসি।
৪। জাতীয সঙ্গীতে কোন কোন মাসের কথা বলা হয়েছে?
উত্তর : জাতীয় সঙ্গীতে ফাল্গুন ও অঘ্রায়ণ মাসের কথা বলা হয়েছে।
৫। জাতীয় সঙ্গীতটি মুখস্থ লিখ।
উত্তর : বোর্ড বই।
৬। গাওয়ার জন্য জাতীয় সঙ্গীত কত লাইন?
উত্তর : গাওয়ার জন্য জাতীয সঙ্গীত ২০ লাইন।
জাতীয় পতাকা
৭। আমাদের দেশের সাংবিধানিক নাম কী?
উত্তর : গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ।
৮। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের জাতীয় পতাকায় কী থাকবে?
উত্তর : গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের জাতীয় পতাকায় সবুজ ক্ষেত্রের উপর স্থাপিত রক্তবর্ণের একটি ভরাট বৃত্ত থাকবে।
৯। জাতীয় পতাকার আকার কেমন?
উত্তর : জাতীয় পতাকা আয়তাকার।
১০। জাতীয় পতাকায় কী কী রং থাকে?
উত্তর : জাতীয পতাকায় লাল ও সবুজ রং থাকে।
১১। লাল রং কীসের প্রতীক?
উত্তর : লাল রং উদীয়মান সূর্যের প্রতীক।
১২। সবুজ রং কীসের প্রতীক?
উত্তর : সবুজ রং
১৩। জাতীয় পতাকার দৈর্ঘ্য ও প্রস্থের অনুপাত কত?
উত্তর : জাতীয় পতাকার দৈর্ঘ্য ও প্রস্থের অনুপাত ১০ : ৬।
১৪। লাল বৃত্তটির ব্যাসার্ধ কত?
উত্তর : লাল বৃত্তটির ব্যাসার্ধ পতাকার দৈর্ঘ্যরে পাঁচ ভাগের এক ভাগ।
১৫। জাতীয় পতাকা তৈরির নিয়মাবলী লিখ।
উত্তর : বোর্ড বই।
১৬। ভবনে ব্যবহারের জন্য জাতীয় পতাকার মাপ লিখ।
উত্তর : ভবনের আকার ও আয়তন অনুযায়ী জাতীয় পতাকার মাপ নিচে দেওয়া হলো;
ক) ৩০৫ সে.মি ১৮৩ সে.মি ( ১০ ফুট ৬ ফুট )
খ) ১৫২ সে.মি ৯১ সে.মি ( ৫ ফুট ৩ ফুট )
গ) ৭৬ সে. মি ৪৬ সে. মি ( ২১/২ ১১/২ )
১৭। জাতীয় পতাকার নকশা কে তৈরি করেন?
উত্তর : শিল্পী কামরুল হাসান।
ঐশী ও ওমর
১। ঐশী ও ওমর কী বারে বাগানে কাজ করে?
উত্তর ; ঐশী ও ওমর শুক্রবারে বাগানে কাজ কাজ করে।
২। বাগানে কী কী গাছ লাগানো হয়েছে?
উত্তর : বাগানে ফুল গাছ ও নানা রকম সবজি গাছ লাগানো হয়েছে।
৩। দাদিমা খুশি হয়েছেন কেন?
উত্তর : ঐশী ও ওমরের সুন্দর বাগান দেখে দাদিমা খুশি হয়েছেন।
৪। তুমি তোমার বাগানে কী কী গাছ লাগাবে?
উত্তর : আমি আমার বাগানে ফুল গাছ ও সবজি লাগাবো।
সুন্দরবন
১। বাংলাদেশের জাতীয় বনের নাম কী?
উত্তর : বাংলাদেশের জাতীয় বনের নাম সুন্দরবন।
২। সুন্দরবন কোথায় অবস্থিত?
উত্তর : সুন্দরবন বাংলাদেশের দক্ষিণে অবস্থিত।
৩। মৌয়াল কাদের বলে?
উত্তর : সুন্দরবনে যারা মধুর চাক কাটে তাদের মৌয়াল বলে।
৪। মৌয়ালরা অমিকে কী খেতে দিল?
উত্তর : মৌয়ালরা অমিকে মধু খেতে দিল।
৫। সুন্দরবনের বনের বাঘের নাম কী?
উত্তর : সুন্দরবনের বনের বাঘের নাম রয়েল বেঙ্গল টাইগার।
৬। বাঘ দেখলে হরিণকে সাবধান করে কে?
উত্তর : বানর বাঘ দেখলে হরিণকে সাবধান করে দেয়।
আমাদের দেশ
-আ. ন. ম বজলুর রশীদ।
১। গরু কোথায় চরে?
উত্তর : মাঠে মাঠে গরু চরে।
২। রাখাল কী করে?
উত্তর : রাখাল মাঠে গরু চরায়।
৩। চাষী ভাই কী করে?
উত্তর : চাষী ভাই জমি চাষ করে।
৪। জেলে ভাই কী করে?
উত্তর : জেলে ভাই নদীতে মাছ ধরে।
৫। সকলের মুখে হাসি কেন?
উত্তর : খেত ভরা সোনার ফসল দেখে সকলের মুখে হাসি।
৬। আমাদের দেশ কবিতাটি কে লিখেছেন?
উত্তর : আমাদের দেশ কবিতাটি লিখেছেন আ. ন. ম বজলুর রশীদ।
৭। আমাদের দেশ কবিতাটি কত লাইন?
উত্তর : আমাদের দেশ কবিতাটি ৮ লাইন।
৮। আমাদের দেশ কবিতাটির প্রথম ও শেষ লাইন লিখ।
উত্তর : প্রথম লাইন : আমাদের দেশ তারে কত ভালোবাসি।
শেষ লাইন : সকলের মুখে হাসি, গান আর গান।
৯। আমাদের দেশ কবিতায় কয়টি পেশার কথা বলা হয়েছে?
উত্তর : ৩ টি। জেলে, চাষা, রাখাল।
১০। সবুজ ঘাসের বুকে কিসের হাসি?
উত্তর : সবুজ ঘাসের বুকে শেফালির হাসি।
শীতের সকাল
১। মিঠা মানে কী?
উত্তর : মিঠা মানে মিষ্টি।
২। শীতের সকালের রোদ কেমন লাগে?
উত্তর : শীতের সকালের রোদ মিঠা লাগে।
৩। শরিফা ঘর থেকে কী এনে দিল?
উত্তর : শরিফা ঘর থেকে ওষুধের কৌটাটা এনে দিল।
৪। কে রোদ পোহাচ্ছেন?
উত্তর : শরিফার নানা রোদ পোহাচ্ছেন।
৫। শরিফার নানা কী পড়ছেন?
উত্তর : শরিফার নানা খবরের কাগজ পড়ছেন।
৬। নানা কী বলে শরিফাকে আশীর্বাদ করলেন?
উত্তর : বেঁচে থাকো বুবু বলে আশীর্বাদ করলেন।
৭। শীতের সকাল গল্পের প্রথম ও শেষ লাইন লিখ।
উত্তর : প্রথম লাইন : শীতের সকাল।
শেষ লাইন : শরিফা খুশি হয়ে নানাকে জড়িয়ে ধরলেন।
আমি হব
- কাজী নজুরুল ইসলাম
১। কে সকাল বেলার পাখি হতে চায় ?
উত্তর : কবি অর্থ্যাৎ খোকা সকাল বেলার পাখি হতে চায়।
২। মা রাগ করে কী বলবেন?
উত্তর : মা রাগ করে বলবেন, এখনও সকাল হয়নি, তুমি ঘুমাও।
৩। খোকা মাকে আলসে মেয়ে বলছে কেন?
উত্তর : মা খোকাকে ভোর বেলা উঠতে নিষেধ করছে বলে খোকা মাকে আলসে মেয়ে বলছে।
৪। তুমি কখন ঘুম থেকে ওঠো?
উত্তর : আমি ভোর বেলায় ঘুম থেকে উঠি।
৫। ‘আমি হব’ কবিতাটি কার লেখা?
উত্তর : ‘আমি হব’ কবিতাটির লেখক কাজী নজরুল ইসলাম।
৬। কাজী নজরুল ইসলামের আর একটি ছড়ার নাম লিখ।
উত্তর : প্রভাতি, লিচু চোর।
জলপরি ও কাঠুরে
১। কাঠুরে কোথায় কাঠ কাটতে গিয়েছিল?
উত্তর ; কাঠুরে নদীর ধারে কাঠ কাটতে গিয়েছিল।
২। কাঠুরে কাঁদতে লাগল কেন?
উত্তর : নদীতে কুড়ালটি পড়ে যাওয়ায় কাঠুরে কাঁদতে লাগল।
৩। জলপরি প্রথম কোন কুড়াল আনল?
উত্তর : জলপরি প্রথম সোনার কুড়াল আনল।
৪। জলপরি কাঠুরের উপর খুুশি হলো কেন?
উত্তর : কাঠুরের সততা দেখে জলপরি কাঠুরের উপর খুশি হলো।
৫। লোভী কাঠুরের উপর জলপরির খুব রাগ হলো কেন?
উত্তর : লোভে পড়ে মিথ্যা কথা বলায় লোভী কাঠুরের উপর জলপরির খুব রাগ হলো।
৬। লোভী কাঠুরে জলপরির কাছ থেকে কী শিক্ষা পেল?
উত্তর : লোভ করলে এবং অসৎ হলে সব কিছু হারাতে হয়।
৭। জলপরি খুশি হয়ে কাঠুরেকে কী উপহার দিল?
উত্তর : জলপরি খুশি হয়ে কাঠুরেকে সোনার কুড়াল উপহার দিল।
৮। জলপরি কাঠুরেকে কেন পুরস্কার দিল?
উত্তর : কাঠুরের সততা দেখে জলপরি খুশি হয়ে কাঠুরেকে পুরস্কার দিল।
নানা রঙের ফুলফল
১। কী কী ফুল লাল রঙের হয়/
উত্তর : জবা, কৃষ্ণচূড়া, শিমুল, পলাশ ইত্যাটি ফুল লাল রঙের হয়।
২। সুগন্ধি ফুল কী কী?
উত্তর : গোলাপ, বেলি, রজনীগন্ধা, কামিনী, গন্ধরাজ, হাসনাহেনা, দোলনচাঁপা, শিউলি ইত্যাদি সুগন্ধি ফুল।
৩। কোন কোন ফুলে সুগন্ধ নেই?
উত্তর : সূর্যমুখী, গাঁদা, কাশ, টগর, কলাবতী ইত্যাদি ফুলে সুগন্ধ নেই।
৪। কাঁচা থাকতে কোন কোন ফুল সবুজ রঙের হয়?
উত্তর : আম. পেঁপেঁ, পেয়ারা, বাঙ্গি ইত্যাদি ফল কাঁচা থাকতে সবুজ রঙের হয়।
৫। কোন কোন ফলের ভিতরটা লাল?
উত্তর : ডালিম ও তরমুজের ভিতরটা লাল।
৬। লাল রঙের কিন্তু সুবাস নেই এমন তিনটি ফুলের নাম লিখ।
উত্তর : কৃষ্ণচ‚ড়া, শিমুল ও পলাশ।
৭। পাঁচটি সুগন্ধি ফুলের নাম লিখ।
উত্তর : গোলাপ, বেলি, রজনীগন্ধা, কামিনী, গন্ধরাজ।
৮। ১০ টি ফুলের নাম লিখ।
উত্তর : গোলাপ, বেলি, রজনীগন্ধা, কামিনী, গন্ধরাজ, হাসনাহেনা, দোলনচাঁপা, শিউলি, সূর্যমুখী, গাঁদা, কৃষ্ণচ‚ড়া।
৯। ১০ টি ফলের নাম লিখ।
উত্তর : আম, জাম, কাঁঠাল, লিচু, আনারস, ডালিম, ডাব, পেয়ারা, পেঁপেঁ, বাঙ্গি।
১০। দোলনচাঁপার পাপড়ি কয়টি?
উত্তর : দোলনচাঁপার পাপড়ি চারটি সাদা পাপড়ি-ঠিক যেন একটি প্রজাপতি।
আমাদের ছোট নদী
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।
১। বাঁকে বাঁকে কী বয়ে যায়?
উত্তর : বাঁকে বাঁকে ছোট নদী বয়ে যায়।
২। বৈশাখ মাসে ছোট নদীর পানি কতোটুকু থাকে?
উত্তর : বৈশাখ মাসে ছোট নদীর পানি হাঁটু সমান থাকে।
৩। নদীর দুই ধার দেখতে কেমন?
উত্তর : নদীর দুই ধার দেখতে উঁচু।
৪। রাতে কী শোনা যায়?
উত্তর : রাতে শেয়ালের হাঁক শোনা যায়।
৫। নদীতে কীভাবে ছেলেমেয়েরা মাছ ধরে?
উত্তর : নদীতে ছোট ছেলেমেয়েরা আঁচল দিয়ে ছেঁকে ছোট মাছ ধরে।
৬। কখন নদী পানিতে ভরে যায়?
উত্তর : আষাঢ়ের বর্ষার পানিতে নদী ভরে যায়।
৭। আমাদের ছোট নদী কবিতাটি কার লেখা এবং কত লাইন?
উত্তর : রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এবং ১৬ লাইন।
৮। আমাদের ছোট নদী কবিতাটির প্রথম এবং শেষ লাইন লিখ।
প্রথম লাইন : আমাদের ছোট নদী চলে বাঁকে বাঁকে।
শেষ লাইন : বরষার উৎসবে জেগে ওঠে পাড়া।
৯। আমাদের ছোট নদী কবিতাটি কত প্যারা?
উত্তর : আমাদের ছোট নদী কবিতাটি ৪ প্যারা।
১০। রবীন্দ্রনাথের আরও দুটি কবিতার নাম লিখ।
উত্তর : আষাঢ়,
দাদির হাতের মজার পিঠা
১। পিঠাপুলি খাওয়ার ধুম পড়ে কখন?
উত্তর : শীতকালে পিঠাপুলি খাওয়ার ধুম পড়ে।
২। চাল গুঁড়ো করা হয় কেন?
উত্তর : পিঠা তৈরির জন্য চাল গুঁড়ো করা হয়।
৩। ভাপে সিদ্ধ পিঠাকে কী পিঠা বলে?
উত্তর : ভাপে সিদ্ধ পিঠাকে ভাপা পিঠা বলে।
৪। ভাপা পিঠা বানাতে কী কী লাগে?
উত্তর : ভাপা পিঠা বানাতে চালের গুঁড়ো, খেজুরের গুড় ও কোরা নারকেল লাগে।
৫। ১০ টি পিঠার নাম লিখ।
উত্তর : খেজুর পিঠা, চুষি পিঠা, বিবিখানা পিঠা, চিতই পিঠা, ছিট পিঠা, সেমাই পিঠা, ভাপা পিঠা, দুধচিতই পিঠা, পাটিসাপটা পিঠা, পুলি পিঠা, নারকেল পিঠা।
৬। ভাপা পিঠা কীভাবে তৈরি করা হয়?
উত্তর : ভাপে সিদ্ধ করে ভাপা পিঠা তৈরি করতে হয়।
৭। কোন অঞ্চলের চমচম বিখ্যাত?
উত্তর : টাঙ্গাইলের চমচম বিখ্যাত।
৮। কখন পিঠা খেতে খুব মজা লাগে?
উত্তর : শীতের সকালে গরম গরম পিঠা খেতে খুব মজা লাগে।
ট্রেন
- শামসুর রাহমান।
১। ট্রেন চলার সময় কেমন শব্দ করে?
উত্তর : ট্রেন চলার সময় ঝক ঝকাঝক শব্দ করে।
২। মাঠ পেরুলেই কী দেখা যায়?
উত্তর : মাঠ পেরুলেই বন দেখা যায়।
৩। পুলের উপর ট্রেন কেমন শব্দ করে?
উত্তর : পুলের উপর ট্রেন ঝনঝনা ঝনঝন শব্দ করে।
৪। ট্রেন কোথায় ঘুরে বেড়ায়?
উত্তর : ট্রেন দেশ বিদেশে ঘুরে বেড়ায়।
৫। ইচ্ছে হলে ট্রেন কী করে?
উত্তর : ইচ্ছে হলে ট্রেন বাঁশি বাজায়।
৬। ট্রেন কেমন শব্দ করে থামে?
উত্তর : ট্রেন একটু কেশে খক শব্দ করে থামে।
৭। ট্রেন কবিতাটি কাঁর লেখা এবং কত লাইন?
উত্তর ট্রেন কবিতাটি লিখেছেন শামসুর রাহমান। কবিতাটি ১৬ লাইন।
৮। ট্রেন কবিতাটির প্রথম ও শেষ লাইন লিখ।
প্রথম লাইন : ঝক ঝকাঝক ট্রেন চলেছে।
শেষ লাইন : ঝক ঝকাঝক ঝক।
দুখুর ছেলেবেলা
১। দুখুর আসল নাম কী?
উত্তর : দুখুর আসল নাম কাজী নজরুল ইসলাম।
২। দুখু দেখতে কেমন?
উত্তর : দুখুর মাথায় ঝাঁকড়া চুল। চোখ দুটো বড় বড়। এক কথায় দুখু দেখতে খুব সুন্দর।
৩। সকালে কিসের ডাকে দুখুর ঘুম ভাঙে?
উত্তর : সকালে পাখির ডাকে দুখুর ঘুম ভাঙে।
৪। দুখু দলবল নিয়ে কী করে?
উত্তর : দুখু দলবল নিয়ে খেলা করে। বনে-বাদাড়ে ঘুরে বড়ায়। তাল পুকুরের টলটলে পানিতে সাঁতার কাটে।
৫। কাঠবিড়ালিকে দেখে দুখুর কী ইচ্ছে হয়?
উত্তর : কাঠবিড়ালিকে দেখে দুখুর কাঠবিড়ালি হতে ইচ্ছে হয়।
৬। আমাদের জাতীয় কবির নাম কী?
উত্তর : আমাদের জাতীয় কবির নাম কাজী নজরুল ইসলাম।
৭। দুখুর গ্রামের নাম কী?
উত্তর : দুখুর গ্রামের নাম চুরুলিয়া।
৮। দুখুর গ্রামটি কেমন?
উত্তর : দুখুর গ্রামটি গাছপালায় ঘেরা অতি সুন্দর।
৯। দুখু ছোটদের জন্য কী লিখেছেন?
উত্তর : দুখু ছোটদের জন্য কবিতা, ছড়া ও মজার মজার গল্প লিখেছেন।
১০। দুখুর গানের গলা কেমন?
উত্তর : দুখুর গানের গলা ছিল সুরেলা।
প্রার্থনা
- সুফিয়া কামাল
১। সুন্দর ধরণী কে দান করেছেন?
উত্তর : সৃষ্টিকর্তা সুন্দর ধরণী সৃষ্টি করেছেন।
২। আমাদের কাছে কারা আপন?
উত্তর : আমাদের কাছে মাতা, পিতা, ভাই, বোন, আতœীয়-স্বজন সব মানুষই আপন।
৩। আমরা কেমন পথে চলতে চাই?
উত্তর : আমরা সহজ সরল পথে চলতে চাই।
৪। প্রার্থনা কবিতায় কবি কাকে না ভুলে যাওয়ার কথা বলেছেন এবং কেন?
উত্তর : প্রার্থনা কবিতায় কবি স্রষ্টাকে না ভুলে যাওয়ার কথা বলেছেন। কারণ তিনি আমাদের এই সুন্দর পৃথিবী সৃষ্টি করেছেন। তার দয়ায় আমরা বেঁচে আছি।
৫। প্রার্থনা কবিতাটি কে লিখেছেন এবং কত লাইন?
উত্তর : সুফিয়া কামাল এবং কবিতাটি ২২ লাইন।
৬। ‘প্রার্থনা’ কবিতাটির প্রথম এবং শেষ লাইন লিখ।
প্রথম লাইন : তুলি দুই হাত করি মুনাজাত
শেষ লাইন : গেয়ে যাই এই গান।
খামার বাড়ির পশুপাখি
১। গ্রামের পাশের নদীটার নাম কী?
উত্তর : গ্রামের পাশের নদীটির নাম তিতাস নদী।
২। রিতা কবুতরকে কী খেতে দেয়?
উত্তর : রিতা কবুতরকে গম ও মটর খেতে দেয়।
৩। ছাগলছানারা কী করে?
উত্তর : ছাগলছানারা মাঠে চরে। ঘাস খায়। লতাপাতা খায় এবং ব্যাঁ ব্যাঁ করে ডাকে।
৪। লাল ঝুঁটি মোরগ দেখতে কেমন?
উত্তর : লাল ঝুঁটি মোরগ দেখতে খুব সুন্দর।
৫। মতিবিবি কী বেচে টাকা পান?
উত্তর : মতিবিবি ডিম বেচে টাকা পান।
৬। খামারের মোরগ ও মুরগি কে পাহারা দেয়?
উত্তর : কুকুর খামারের মোরগ ও মুরগি পাহারা দেয়।
৭। পুকুরে হাঁসগুলো কী করে?
উত্তর : পুকুরে হাঁসগুলো দল বেঁধে নামে। শামুক খায় আর প্যাঁক প্যাঁক করে ডাকে।
৮। মোরগ কীভাবে ডাকে?
উত্তর : মোরগ কুক্কুরু কু, কুক্কুরু কু করে ডাকে।
৯। গ্রামের নাম কী?
উত্তর : গ্রামের নাম সোনাইমুড়ি।
১০। খামার বাড়ির পশুপাখি গল্পের প্রথম ও শেষ লাইন লিখ।
প্রথম লাইন : গ্রামের নাম সোনাইমুড়ি।
শেষ লাইন : দেখতে খুব ভালো লাগে।
ছয় ঋতুর দেশ
১। ছয় ঋতুর দেশ কোনটি?
উত্তর : ছয় ঋতুর দেশ বাংলাদেশ।
২। বাংলাদেশে কয়টি ঋতু? ঋতুগুলো নাম লিখ।
উত্তর : বাংলাদেশে ৬টি ঋতু। ঋতুগুলোর নাম হলো; গ্রীষ্ম, বর্ষা, শরৎ, হেমন্ত, শীত ও বসন্ত।
৩। কত দিনে এক সপ্তাহ?
উত্তর : সাত দিনে এক সপ্তাহ।
৪। কয় মাস পরপর ঋতু বদল হয়?
উত্তর : দুই মাস পরপর ঋতু বদল হয়।
৫। বাংলায় ১২ মাসের নাম লিখ।
উত্তর : বৈশাখ, জ্যৈষ্ঠ, আষাঢ়, শ্রাবণ, ভাদ্র, আশ্বিন, কার্তিক, অগ্রহায়ণ, পৌষ, মাঘ, ফাল্গুন, চৈত্র।
৬। কোন কোন মাস নিয়ে কোন কোন ঋতু হয়? লিখ।
উত্তর : বৈশাখ, জ্যৈষ্ঠ - গ্রীষ্মকাল।
আষাঢ়, শ্রাবণ - বর্ষাকাল।
কার্তিক, অগ্রহায়ণ - হেমন্তকাল
পৌষ, মাঘ - শীত কাল
ভাদ্র, আশ্বিন - শরৎকাল
ফাল্গুন, চৈত্র - বসন্তকাল।
৭। প্রতিটি ঋতুর একটি করে বৈশিষ্ট্য লিখ।
উত্তর : গ্রীষ্ম : আম, জাম, লিচু ইত্যাদি ফল পাওয়া যায়।
বর্ষা : ঝমঝম করে বৃষ্টি হয়।
শরৎ : শিউলি ফুল ফোটে।
হেমন্ত : নবান্ন উৎসব হয়।
শীত : মানুষ গরম কাপড় পরে, আগুন পোহায়।
বসন্ত : কোকিলের কুহু ডাক শোনা যায়।
৮। বর্ষাকালীন দুটি ফুলের নাম লিখ।
উত্তর : কদম, কেয়া।
৯। শরৎ কালের দুটি ফুলের নাম লিখ।
উত্তর : কাশফুল, শিউলি ফুল।
১০। নবান্ন উৎসব কী?
উত্তর : কার্তিক ও অগ্রহায়ণ মাসে কৃষকেরা নতুন চাল দিয়ে তৈরি পিঠা পায়েসের যে উৎসব করে সেটাই হলো নবান্ন উৎসব।
১১। কোন ঋতুতে নবান্ন উৎসব হয়?
উত্তর : হেমন্ত ঋতুতে নবান্ন উৎসব হয়।
১২। কোন ঋতুকে ঋতুরাজ বলা হয়?
উত্তর : বসন্ত ঋতুকে ঋতুরাজ বলা হয়।
১৩। বসন্তকে ঋতুরাজ বলা হয় কেন?
উত্তর : বসন্ত ঋতুতে প্রকৃতি নতুন রূপে সাজে। নানা ফুলে ভরে থাকে গাছ। শাখায় শাখায় পাখি গান করে। কোকিলের গানের সুরে সুরে মন ভরে যায়। তাই বসন্তকে ঋতুরাজ বলা হয়।
মুক্তিযুদ্ধের একটি সোনালি পাতা
১। কে স্বাধীনতার ডাক দিয়েছিলেন?
উত্তর : বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্বাধীনতার ডাক দিয়েছিলেন।
২। মুক্তিযোদ্ধারা কোথায় ঘাঁটি গেড়েছিলেন?
উত্তর: জঙ্গল ঘেরা পুরানো এক জমিদার বাড়িতে মুক্তিযোদ্ধারা ঘাঁটি গেড়েছিলেন।
৩। মুক্তিসেনারা কেন পিছু হটতে চাইলেন না?
উত্তর : পিছনে একটা বড় গ্রাম থাকায় মুক্তিসেনারা পিছু হটতে চাইলেন না।
৪। একজন মুক্তিসেনা কীভাবে শহিদ হলেন?
উত্তর : একজন মুক্তিসেনা শত্রæর গুলির আঘাতে শহিদ হলেন।
৫। দলনেতার নতুন কৌশল কী ছিল?
উত্তর : দলনেতার নতুন কৌশল ছিল ঘনঘন জায়গা বদল করা।
৬। গ্রামটি কীভাবে রক্ষা পেল?
উত্তর : মুক্তিসেনাদের বুদ্ধি ও সাহসের ফলে শত্রæরা পিছু হটলে গ্রামটি রক্ষা পায়।
৭। কত সালে মুক্তিযুদ্ধ হয়?
উত্তর : ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ হয়।
৮। আমাদের শত্রæসেনা কারা?
উত্তর : পাকিস্তানিরা আমাদের শত্রæসেনা।
কাজের আনন্দ
- নবকৃষ্ণ ভট্টাচার্য
১। মৌমাছি কোথায় যায়?
উত্তর : মৌমাছি মধু আহরণ করতে বনে যায়।
২। মৌমাছি কী কাজ করে?
উত্তর : মৌমাছি ফুল থেকে মধূ সংগ্রহ করে।
৩। পাখি তৃণলতা আনে কেন?
উত্তর : পাখি নিজের বাসা বোনার জন্য তৃণলতা আনে।
৪। পিপীলিকা কী সঞ্চয় করে?
উত্তর : পিপীলিকা খাদ্য সঞ্চয় করে।
৫। কাজের আনন্দ কবিতাটি কে লিখেছেন এবং কত লাইন?
উত্তর : নবকৃষ্ণ ভট্টাচার্য এবং ১৮ লাইন।
৬। ‘কাজের আনন্দ কবিতায় কয়টি প্রাণির কথা বলা হয়েছে?
উত্তর : মৌমাছি, ছোটপাখি এবং পিপীলিকা এই তিনটি প্রাণির কথা বলা হয়েছে।
সবাই মিলে করি কাজ
১। মহানিব হযরত মুহাম্মদ (স) কোন শহরে বাস করতেন?
উত্তর : মহানিব হযরত মুহাম্মদ (স) মদিনা শহরে বাস করতেন।
২। শত্রুরা কতবার মদিনায় হামলা করে?
উত্তর : শত্রুরা দুই দুই বার মদিনায় হামলা করে।
৩। মহানবি (স) সকলকে কী খনন করতে বললেন?
উত্তর : মহানবি (স) সকলকে পরিখা খনন করতে বললেন।
৪। নবিজি (স) কয়জন করে দল গঠন করতে বললেন?
উত্তর : নবিজি (স) ১০ জন করে দল গঠন করতে বললেন।
৫। সকলে মাটি কাটা শুরু করলেন কেন?
উত্তর : মহানবিকে (স) নিজের মাথায় মাটির ঝুড়ি তুলে নেওয়া দেখে সবাই মাটি কাটা শুরু করলেন।
৬। কে নিজের মাথায় মাটির ঝুড়ি তুলে নিলেন?
উত্তর : মহানবি (স) নিজের মাথায় মাটির ঝুড়ি তুলে নিলেন।
৭। কঠিন কাজ কিভাবে সহজ হয়ে যায়?
উত্তর : সবাই মিলে কাজ করলে কঠিন কাজও তখন সহজ হয়ে যায়।
৮। শত্রুরা কেন শহরে প্রবেশ করতে পারছিল না?
উত্তর : শহরের চারপাশে পরিখা খনন করায় শত্রুরা শহরে প্রবেশ করতে পারছিল না।







0 Comments:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন