তুমি নিজ
আমার নাম -----। আমার বয়স ৭ বছর। আমি একজন
ছাত্র। আমি দ্বিতীয় শ্রেনিতে পড়ি। আমার স্কুলের নাম লাল সবুজের পাঠশালা।
আমার মা
আমার মায়ের নাম ----------. তাঁর বয়স ৩০
বছর। তিনি একজন গৃহিনী। তিনি আমাকে পড়ান। তিনি আমাকে খুব ভালোবাসেন।
আমার বাবা
আমার বাবার নাম ---------. তাঁর বয়স ৫০
বছর। তিনি একজন শিক্ষক। তিনি আমাকে পড়ান। তিনি আমাকে খুব ভালোবাসেন।
জাতীয় পতাকা
আমাদের জাতীয় পতাকা ঘন সবুজ। এর মাঝখানে
উদীয়মান সূর্যের লাল বৃত্ত। এর মাপের অনুপাত ১০ঃ৬। লাল বৃত্তটির ব্যাসার্ধ পতাকার দৈর্ঘ্যরে
পাঁচ ভাগের এক ভাগ। সকল প্রতিষ্ঠানে পতাকা উত্তোলন করা হয়।
সুন্দরবন
আমাদের দেশে আছে এক বন। অনেক জায়গা জুড়ে
এ বন। সে বনের নাম সুন্দরবন। সুন্দরবনে আছে নানা রকম পশু আর পাখি। বনে আছে হরিণ আর
বাঘ।
বাঘ
বাঘ একটি বন্য প্রাণী। রয়েল বেঙ্গল টাইগার
আামদের জাতীয় পশু। এর চারটি পা, দুটি চোখ, দুটি কান ও একটি নাক আছে। এরা বিভিন্ন রঙের
হয়ে থাকে। এদের গায়ে ডোরাকাটা দাগ থাকে।
আামদের দেশ
আমাদের দেশ বাংলাদেশ। এদেশ একটি স্বাধীন
দেশ। এদেশের আয়তন ১,৪৭,৫৭০ বর্গকিলোমিটার। এদেশের লোক সংখ্যা প্রায় ১৬ কোটি। এদেশের রাজধানী ঢাকা।
শীতের সকাল
শীতের সকালে খুব ঠান্ডা পড়ে। এ সময় চারদিক
কুয়াশায় ঢাকা থাকে। শিশুরা ঘুম থেকে উঠতে চায় না। শীতের সকালে সূর্য উঠতে দেরি করে।
শীতের সকালের রোদ খুব মিষ্টি লাগে।
গোলাপ
গোলাপকে বলা হয় ফুলের রানি। গোলাপ লাল, সাদা ও গোলাপি এই তিন রঙের হয়ে থাকে। গোলাপের গন্ধ খুব মিষ্টি। গোলাপ সারা বছর ফোটে। গোলাপের পাপড়ি খুব নরম হয়।
প্রিয় পিঠা
শীতকালে অনেক রকমের পিঠা হয়। বিভিন্ন পিঠার
মধ্যে ভাপা পিঠা আমার খুব প্রিয়। পিঠা বানাতে চালের গুঁড়ো,খেজুরের গুড় ও কোরা নারকেল
লাগে। গরম পানির ভাপে সিদ্ধ করে ভাপা পিঠা বানানো হয়। শীতের সকালে ভাপা পিঠা খেতে খুব
মজা লাগে।
জাতীয় কবি
কাজী নজরুল ইসলাম আমাদের জাতীয় কবি। তিনি
চুরুলিয়া গ্রামে ১৩০৬ সালের ১১ জৈষ্ঠ জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর বাবার নাম কাজী ফকির আহম্মদ
ও মায়ের নাম জাহেদা খাতুন। তাঁর বাবা মা তাকে আদর করে দুখু মিয়া বলে ডাকতেন। ছোট বেলা
থেকে তিনি কবিতা ও গান লিখতেন।
জাতীয় ফল
কাঁঠাল আমাদের জাতীয় ফল। এটা গ্রীষ্মকালীন
ফল। বৈশাখ এবং জ্যৈষ্ঠ মাসে কাঁঠাল পাওয়া যায়। কাঁঠালের ভিতর অনেকগুলো কোয়া থাকে। এই
কোয়া খুব রসাল এবং সুস্বাদু। আমাদের দেশের প্রায় সব জায়গাতে কাঁঠাল পাওয়া যায়।
জাতীয় ফুল
শাপলা আমাদের জাতীয় ফুল। আমাদের দেশে ডোবা, খাল ও বিলে শাপলা ফোটে। আমাদের
দেশে লাল শাপলাও দেখতে পাওয়া যায়। আমরা শাপলা ফুল দিয়ে মালা গাঁথি। পানিতে ফুটে থাকা
শাপলা দেখতে খুব সুন্দর লাগে।
জাতীয় পাখি
আমাদের জাতীয় পাখির নাম দোয়েল। দোয়েলের
আকৃতি মাঝারি। এর ঠোঁট সরু এবং পায়ে চারটি নখযুক্ত আঙুল আছে। দোয়েলের রং সাদা-কালো।
দোয়েলের ছড়ানো লেজ খুব সুন্দর।
জাতীয় মাছ
আমাদের জাতীয় মাছ ইলিশ। ইলিশের রং রূপালি।
ইলিশ লোনা পানির মাছ। এ মাছ ডিম পাড়ার সময় নদীতে আসে। এ সময় প্রচুর ইলিশ ধরা পড়ে। ইলিশ
আমার প্রিয় মাছ।
প্রিয় প্রাণী
আমার প্রিয় প্রাণী হলো বিড়াল। আমার বিড়ালের
নাম মিনি। মিনির গায়ের রং সাদা ও কালো। মিনি খুব শান্ত প্রকৃতির। মিনি দ্রুত ইঁদুর
ধরতে পারে। মিনি মাছ ও দুধ পছন্দ করে।
ছয় ঋতু
বাংলাদেশে দুই মাস পর পর প্রকৃতি বদলে
যায়। প্রতি দুই মাসকে আমরা বলি ঋতু। আমাদের দেশ ছয় ঋতুর দেশ। গ্রীষ্মকাল, বর্ষাকাল,
শরৎকাল, হেমন্তকাল, শীতকাল ও বসন্তকাল। বসন্তকে ঋতুরাজ বলা হয়।
প্রিয় ঋতু
আমার প্রিয় ঋতুর নাম বসন্ত ঋতু। ফাল্গুন আর চৈত্র মাস নিয়ে এই ঋতু। এ সময় প্রকৃতি নতুন রূপে সাজে। নানা ফুলে ভরে থাকে গাছ। শাখায় শাখায় পাখি গান করে। কোকিলের গানের সুরে মন ভরে যায়। বসন্তকে বলা হয় ঋতুর রাজা।
মুক্তিযুদ্ধ
মুক্তিযুদ্ধ অর্থ দেশকে স্বাাধীন করার
লড়াই। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ডাকে শুরু হয়েছিল মুক্তিযুদ্ধ। পাকিস্তানি শত্রুসেনাদের
বিরুদ্ধে এ যুদ্ধ। এ যুদ্ধে আামদের দেশের অনেক লোক শহিদ হয়েছিল। মুক্তিযুদ্ধ প্রায়
নয় মাস চলেছিল।
মহানবি (স)
আমাদের মহানবির নাম হযরত মুহাম্মাদ (স)।
তিনি ৫৭০ সালে জন্মগ্রহন করেন। তাঁর মায়ের নাম আমিনা। তাঁর বাবার নাম আব্দুল্লাহ। তিনি
সর্বদা সত্য কথা বলতেন। তিনি অনেক দয়ালু ছিলেন। তিনি ছোটদের খুব ভালোবাসতেন।
বঙ্গবন্ধু
বঙ্গবন্ধু অর্থ বাংলার বন্ধু। শেখ মুজিবুর
রহমানকে বঙ্গবন্ধু বলা হয়। বঙ্গবন্ধুর ডাকে মুক্তিযুদ্ধ শুরু হয়। তিনি বাঙালি জাতির
জনক। আমরা সবাই তাঁকে শ্রদ্ধা করি।
মৌমাছি
মৌমাছি এক প্রকার পতঙ্গ। মৌমাছি আকৃতিতে
খুব ছোট। মৌমাছির বাসা কে বলা হয় মৌচাক। মৌমাছি ফুল থেকে মধু সংগ্রহ করে। মৌচাক থেকে
পাওয়া যায় মধু।
জাতীয় পতাকা তৈরির নিয়মাবলী
দৈর্ঘ্য ও প্রস্থের অনুপাত ১০:৬। অর্থ্যাৎ
দৈর্ঘ্য ৩০৫ সেমি ( ১০ ফুট) হয়, প্রস্থ ১৮৩ সেমি (৬ফুট) হবে। লাল বৃত্তটির ব্যাসার্ধ
পতাকার দৈর্ঘ্যরে পাঁচ ভাগের এক ভাগ। পতাকার দৈর্ঘ্যরে ২০ ভাগের নয় ভাগে একটি লম্ব
( খাড়া সরলরেখা) টানতে হবে। তারপর প্রস্থের ঠিক অর্ধেক ভাগে দৈর্ঘ্যরে সঙ্গে সমান্তরাল
করে এর একটি রেখা টানতে হবে। এই দুইিট রেখার ছেদবিন্দুই হবে বৃত্তটির কেন্দ্রবিন্দু।
স্বাধীনতা দিবস
২৬ শে মার্চ আমাদের স্বাধীনতা দিবস। ১৯৭১
সালের এই দিনে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করা হয়। এ দিন বাংলাদেশের জন্মদিন। এই দিনে
সকল প্রতিষ্ঠানে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়। মাঠে মাঠে কুচকাওয়াজ চলে।
বিজয় দিবস
১৬ ই ডিসেম্বর আমাদের বিজয় দিবস। দীর্ঘ
৯ মাস যুদ্ধের পর আমরা এই দিনে বিজয় অর্জন করি। এই দিনে বাংলাদেশ শত্রুমুক্ত হয়। এই
দিনে পাকিস্তানি বাহিনী আত্মসমর্পণ করে। এই দিনে সকল প্রতিষ্ঠানে জাতীয় পতাকা উত্তোলন
করা হয়। সারা দেশে বিজয় দিবস অতি মর্যাদার সাথে উদ্যাপন করা হয়।
শহিদ দিবস
২১ শে ফেব্রুয়ারি আমাদের মাতৃভাষা দিবস।
এই দিবসকে শহিদ দিবস এবং আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসও বলে। পাকিস্তানিরা বাংলা ভাষাকে
বাদ দিয়ে উর্দূ ভাষাকে রাষ্ট্রভাষা বলে ঘোষণা দেয়। বাঙালিরা এই ঘোষণার প্রতিবাদ করে।
১৯৫২ সালের এই দিনে পাকিস্তানিরা বাঙালিদের মিছিলে গুলি চালায়। এই গুলিতে সালাম, বরকত,
রফিক, জব্বার এবং আরো অনেকে শহিদ হন। তাদের রক্তের বিনিময়ে আমরা বাংলা ভাষা পেয়েছি।
গ্রীষ্ম ঋতু
বাংলা বছর বৈশাখ মাস দিয়ে শুরু হয়। বৈশাখ ও জৈষ্ঠ্য এই দুই মাস নিয়ে গ্রীষ্মকাল। এ সময় খুব গরম পড়ে। খালবিল শুকিয়ে ফেটে যায়। কখনো কখনো প্রচন্ড ঝড় হয। তখন জানমালেরও ক্ষতি হয়।
বর্ষা ঋতু
আষাঢ় ও শ্রাবণ মাস নিয়ে বর্ষা ঋতু। আকাশে তখন ঘন কালো মেঘের আনাগোনা। যখন তখন ঝমঝম করে বৃষ্টি নামে। খালবিল পানিতে থই থই করে। ব্যাঙ ডাকে ঘ্যাঙর ঘ্যাং। কদম আর কেয়ার গন্ধে বাতাস ভরপুর থাকে।
শরৎ ঋতু
ভাদ্র ও আশ্বিন মাস মিলে হয় শরৎ ঋতু। তখন নতুন ধানের শিষ বাতাসে মাথা দোলায়। এ সময় আকাশের রং হয়ে ওঠে গাঢ় নীল। তুলোর মত হালকা সাদা মেঘ ভেসে বেড়ায়। নদীর ধারে কাশফুলের দোলা লাগে। বাতাসে শিউলি ফুলের মিষ্টি গন্ধ পাওয়া যায়।
হেমন্ত ঋতু
কার্তিক ও অগ্রহায়ণ মাস মিলে হেমন্ত ঋতু। তখন মাঠে মাঠে ধান পাকে। ঘরে ঘরে নতুন চালের পিঠা পায়েস তৈরির উৎসব হয়। এ উৎসবকে বলে নবান্ন। এ সময় একটু একটু করে ঠাণ্ডা পড়তে থাকে। সকালে ঘাসের ডগায় হালকা শিশির জমে।
শীত ঋতু
পৌষ ও মাঘ মাস নিয়ে শীত ঋতু। এ সময় খেজুরের রস ও গুড় পাওয়া যায়। ঘরে ঘরে পিঠাপুলি খাওয়ার ধুম পড়ে যায়। চারপাশ ঢাকা থাকে ঘন কুয়াশায়। সকালে গাছপালা আর ঘাসের ডগায় বেশ শিশির জমে।
বসন্ত ঋতু
ফাল্গুন ও চৈত্র মাস মিলে বসন্ত ঋতু। এ সময় প্রকৃতি নতুন রূপে সাজে। নানা ফুলে ভরা থাকে গাছ। শাখায় শাখায় পাখি গান করে। কোকিলের গানের সুরে মন ভরে যায়। বসন্তকে বলা হয় ঋতুর রাজা।







0 Comments:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন